গা`লিগালাজ হ`জম করার ক্ষমতা আমার আছে: হিরো আলম

‘পেছনে মানুষ নানা কটু কথা বলবে, গালি দেবে আমার এ সব কিছু জম করার ক্ষমতা আছে। না হলে এতোদিন যত কথা শুনেছি তাতে আমি হিরো আলম হারিয়ে যেতাম। মানুষের কথা গায়ে লাগালে অসুস্থ হয়ে যেতাম। কে কি বলছে বলুক, আমি আমার মতো করে গেয়েছি, এতে সবার ভালো লাগবে এমন কোনো কথা নেই।’ বলছিলেন হিরো আলম।

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় দারুণ জনপ্রিয়তা পেয়েছে ‘মানিকে মাগে হিথে’ গানটি। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম কিংবা ইউটিউবে আজকাল স্ক্রল করলেই নজরে পড়ছে অচেনা ভাষার একটি গান। একটি শব্দের অর্থও জানা নেই। তবুও গানের সুরে বুঁদ হয়ে আছেন সবাই। ইতোমধ্যে সিংহলী ভাষার এই গানের তামিল, মালয় ও বাংলা সংস্করণ বের হয়েছে। এবার ভাইরাল হওয়া গানটি গেয়েছেন আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। গানটি গাওয়ার পর তাকে নিয়ে হচ্ছে ট্রল। সে সবের উত্তরে কথাগুলো বলেন হিরো আলম।

শ্রীলঙ্কার নানা সময় জনপ্রিয় গানটি গাওয়ার চেষ্টা করেছেন ভারতের অনেকেই। বলা যায় রীতিমতো ভারতীয়দের মধ্যে এই গানটি কাভার করার প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে যায়। কে কার চেয়ে ভালো গাইতে পারে এই চেষ্টাই চলতে থাকে। পশ্চিমবঙ্গের অনেকেই গানটি গেয়েছেন। শুধু তাই নয় বাংলা ভাষায় নিজেদের মত৬ও অর্থও জুড়ে দিয়েছেন। কিন্তু হিরো আলম যা গাইলেন বতা শুনে চক্ষু ও কর্ণের অবস্থার যে হাল হলো তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না, অন্তত নেটিজেনদের ভাষ্য।

শ্রুতিমধুর এই গানটিকে সবচেয়ে শ্রুতিকটূ করেছেন হিরো আলম। অনেকেই বিরক্ত প্রকাশ করেছেন এই গানে। হিরো আলমকে কেন এই গান গাইতে হবে? এমন প্রশ্ন অনেকেরই। তাদের উদ্দেশ্যে হিরো আলম বলেন, আপনাদের যা ভালো লাগে আপনারা করুন।আপনাদের ভালোলাগায় তো আমি নাগ গলাই না। তাহলে আমার গানটি ভালো লেগেছে বলে আমি কাভার করেছি।এ ক্ষেত্রে আপনারা কটু কথা বলছেন কেনো?

হিরো আলম আরও বলেন, এই গান যে আমার নিজের ভালো লাগায়া গেয়েছি তা নয়। অন্তত এক লাখের ওপর মানুষ আমাকে অনুরোধ করেছেন গানটা যেন গাই। এরমধ্যে পশ্চিমবঙ্গের অনেক রয়েছে। রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের বাঙালি ভাইয়েরা, এছাড়াও বিভিন্ন দেশের বাংলাদেশি ভাইয়েরা। দেশের অনেক দর্শক-শ্রোতা অনুরোধ তো করেছেনই। আপনারা তো জানেন আমার ১১ লাখের পেইজ রয়েছে, সেখানেই প্রতিদিন হাজার হাজার মেসেজ আসতো। যার কারণে গানটা না বুঝলেও কষ্ট করে গেয়েছি।’

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*